তাহাতে মোশি সমাগম-তাম্বুতে প্রবেশ করিতে পারিলেন না, কারণ মেঘ তাহার উপরে অবস্থিতি করিতেছিল, এবং সদাপ্রভুর প্রতাপ আবাস পরিপূর্ণ করিয়াছিল।
Cross references
পরে হারোণ যখন ইস্রায়েল-সন্তানদের সমস্ত মণ্ডলীকে ইহা কহিতেছিলেন, তখন তাহারা প্রান্তরের দিকে মুখ ফিরাইল; আর দেখ, মেঘস্তম্ভের মধ্যে সদাপ্রভুর প্রতাপ দৃষ্ট হইল।
সেখানে আমি ইস্রায়েল-সন্তানগণের কাছে দেখা দিব, এবং আমার প্রতাপে তাম্বু পবিত্রীকৃত হইবে।
সদাপ্রভু মোশিকে এই কথা কহিলেন, তুমি আপন ভ্রাতা হারোণকে বল, যেন সে অতি পবিত্র স্থানে তিরস্করিণীর ভিতরে, সিন্দুকের উপরিস্থ পাপাবরণের সম্মুখে সর্ব্ব সময়ে প্রবেশ না করে, পাছে তাহার মৃত্যু হয়; কেননা আমি পাপাবরণের উপরে মেঘে দর্শন দিব।
আর যে দিন আবাস স্থাপিত হইল, সেই দিন মেঘ আবাস অর্থাৎ সাক্ষ্য-তাম্বু আচ্ছাদন করিল; এবং সন্ধ্যাকালে উহা আবাসের উপরে অগ্নির আকারবৎ রহিল, উহা প্রাতঃকাল পর্য্যন্ত থাকিল।
আর পবিত্র স্থানের মধ্য হইতে যাজকদের বাহির হইবার সময়ে সদাপ্রভুর গৃহ মেঘে এমন পরিপূর্ণ হইল যে,
মেঘ প্রযুক্ত যাজকেরা পরিচর্য্যা করিবার জন্য দাঁড়াইতে পারিল না; কেননা সদাপ্রভুর গৃহ সদাপ্রভুর প্রতাপে পরিপূর্ণ হইয়াছিল।
সেই তূরীবাদকেরা ও গায়কেরা সকলে একরবে সদাপ্রভুর প্রশংসা ও স্তব করিবার জন্য এক ব্যক্তির ন্যায় উপস্থিত ছিল; এবং যখন তাহারা তূরী ও করতালাদি বাদ্যের সহিত মহাশব্দ করিয়া ‘তিনি মঙ্গলময়, হাঁ, তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী,’ এই কথা বলিয়া সদাপ্রভুর প্রশংসা করিল, তৎকালে গৃহ,
আর যাজকগণ সদাপ্রভুর গৃহে প্রবেশ করিতে পারিল না, কারণ সদাপ্রভুর প্রতাপে সদাপ্রভুর গৃহ পরিপূর্ণ হইয়াছিল।
আর সদাপ্রভু সিয়োন পর্ব্বতস্থ সমস্ত আবাসের ও তাহার সভা সকলের উপরে দিনমানে মেঘ ও ধূম, এবং রাত্রিতে প্রজ্বলিত অগ্নির তেজ সৃষ্টি করিবেন, বস্তুতঃ সকল প্রতাপের উপরে চন্দ্রাতপ থাকিবে।
তখন ঘোষণাকারীর রবে শিলামূল সকল কাঁপিতে লাগিল, ও গৃহ ধূমে পরিপূর্ণ হইতে লাগিল।
কেননা যিনি উচ্চ ও উন্নত, যিনি অনন্তকালনিবাসী, যাঁহার নাম “পবিত্র”, তিনি এই কথা কহেন, আমি ঊর্দ্ধলোকে ও পবিত্র স্থানে বাস করি, চূর্ণ ও নম্রাত্মা মনুষ্যের সঙ্গেও বাস করি, যেন নম্রদিগের আত্মাকে সঞ্জীবিত করি ও চূর্ণ লোকদের হৃদয়কে সঞ্জীবিত করি।
আর সদাপ্রভুর প্রতাপ পূর্ব্বাভিমুখ দ্বারের পথ দিয়া গৃহে প্রবেশ করিল।
তাহাতে ঈশ্বরের প্রতাপ হইতে ও তাঁহার পরাক্রম হইতে উৎপন্ন ধূমে মন্দির পরিপূর্ণ হইল; এবং ঐ সপ্ত দূতের সপ্ত আঘাত সমাপ্ত না হওয়া পর্য্যন্ত কেহ মন্দিরে প্রবেশ করিতে পারিল না।