আর কেহ যদি আপন প্রতিবাসীর পশু চাহিয়া লয়, ও তাহার স্বামী তাহার সহিত না থাকিবার সময়ে সে ভগ্নাঙ্গ হয় কিম্বা মরিয়া যায়, তবে সে অবশ্য ক্ষতিপূরণ করিবে।
Cross references
সে পশুর স্বামীকে রৌপ্যমূল্য দিবে, কিন্তু ঐ মৃত পশু তাহারই হইবে।
তবে ‘আমি প্রতিবাসীর দ্রব্যে হস্তার্পণ করি নাই’, ইহা বলিয়া এক জন অন্য জনের কাছে সদাপ্রভুর নামে দিব্য করিবে; আর পশুর স্বামী সেই দিব্য গ্রাহ্য করিবে, ঐ ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ করিবে না।
আর যে কেহ পশু বধ করে, সে তাহার শোধ দিবে; প্রাণের পরিশোধে প্রাণ।
সেই ঋণক্ষমার এই ব্যবস্থা; যে কোন মহাজন আপন প্রতিবাসীকে ঋণ দিয়াছে, সে আপনার দত্ত সেই ঋণ ক্ষমা করিবে, আপন প্রতিবাসী কিম্বা ভ্রাতার নিকট হইতে ঋণ আদায় করিবে না, কেননা সদাপ্রভুর [আদেশে] ঋণক্ষমার ঘোষণা হইয়াছে।
তুমি সুদের জন্য, রৌপ্যের সুদ, খাদ্য সামগ্রীর সুদ, কোন দ্রব্যের সুদ পাইবার জন্য, আপন ভ্রাতাকে ঋণ দিবে না।
আর কেহ কেহ কহিল, রাজকরের নিমিত্ত আমরা আপন আপন ভূমি ও দ্রাক্ষাক্ষেত্র বন্ধক রাখিয়া রৌপ্য লইয়াছি।
দুষ্ট ঋণ করিয়া পরিশোধ করে না, কিন্তু ধার্ম্মিক দয়াবান ও দানশীল।
যে তোমার কাছে যাচ্ঞা করে, তাহাকে দেও; এবং যে তোমার নিকটে ধার চায়, তাহা হইতে বিমুখ হইও না।
কিন্তু তোমরা আপন আপন শত্রুদিগকে প্রেম করিও, তাহাদের ভাল করিও, এবং কখনও নিরাশ না হইয়া ধার দিও, তাহা করিলে তোমাদের মহাপুরস্কার হইবে, এবং তোমরা পরাৎপরের সন্তান হইবে, কেননা তিনি অকৃতজ্ঞদের ও দুষ্টদের প্রতিও কৃপাবান্।