Cross references
আমি আপনার কিছুই লইব না, এক গাছি সূতা কি পাদুকার বন্ধনীও লইব না; পাছে আপনি বলেন, আমি অব্রামকে ধনবান্ করিয়াছি।
উহারা তাহাদের ভগিনীকে ভ্রষ্ট করিয়াছিল, এই জন্য যাকোবের পুত্রগণ হত লোকদের নিকটে গিয়া নগর লুট করিল।
আর তিনি কহিলেন, সদাপ্রভুর সিংহাসনের উপরে হস্ত [উত্তোলিত হইয়াছে]; পুরুষানুক্রমে অমালেকের সহিত সদাপ্রভুর যুদ্ধ হইবে।
তুমি তাহাদের কাছে প্রণিপাত করিও না, এবং তাহাদের সেবা করিও না; কেননা তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু আমি স্বগৌরব রক্ষণে উদ্যোগী ঈশ্বর; আমি পিতৃগণের অপরাধের প্রতিফল সন্তানদিগের উপরে বর্ত্তাই, যাহারা আমাকে দ্বেষ করে, তাহাদের তৃতীয় চতুর্থ পুরুষ পর্য্যন্ত বর্ত্তাই;
ঐ সকল ঘটনার পরে অহশ্বেরশ রাজা অগাগীয় হম্মদাথার পুত্র হামনকে উন্নত করিলেন, উচ্চপদান্বিত করিলেন, এবং তাহার সঙ্গী সমস্ত অধ্যক্ষ অপেক্ষা তাহাকে শ্রেষ্ঠ আসন প্রদান করিলেন।
আর হামন তাহাদের কাছে আপন ঐশ্বর্য্যের প্রতাপ ও সন্তান-বাহুল্যের কথা, এবং রাজা কিরূপে সকল বিষয়ে তাহাকে উচ্চ পদ দিয়াছেন ও কিরূপে তাহাকে অধ্যক্ষগণ ও রাজার দাসগণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আসন দিয়াছেন, এই সমস্ত তাহাদের কাছে বর্ণনা করিল।
কেননা আমি ও আমার স্বজাতি, আমরা সংহারিত, নিহত ও বিনষ্ট হইবার নিমিত্ত বিক্রীত হইয়াছি। যদি আমরা কেবল দাস দাসী হইবার জন্য বিক্রীত হইতাম, তবে আমি নীরব থাকিতাম; কিন্তু তাহা হইলেও মহারাজের ক্ষতিপূরণ করা বিপক্ষের অসাধ্য হইত।
ইষ্টের কহিলেন, এক জন বিপক্ষ ও শত্রু, সে এই দুষ্ট হামন। তখন হামন রাজার ও রাণীর সাক্ষাতে ত্রাসযুক্ত হইল।
তদ্দ্বারা রাজা যিহূদীদিগকে এই অনুমতি দিলেন যে, অহশ্বেরশ রাজার অধীন সমস্ত প্রদেশ এই দিনে, অর্থাৎ অদর নামক দ্বাদশ মাসের ত্রয়োদশ দিনে,
আর শূশনস্থ যিহূদীরা অদর মাসের চতুর্দ্দশ দিনেও একত্র হইয়া শূশনে তিন শত লোককে বধ করিল, কিন্তু লুটে হস্তক্ষেপ করিল না।
সে আলো হইতে অন্ধকারে দূরীকৃত হইবে, সে সংসার হইতে বিতাড়িত হইবে;
দুষ্ট লোক ঈশ্বর হইতে এই ভাগ্য পায়, সর্ব্বশক্তিমান্ হইতে দুর্দ্দান্তেরা এই অধিকার লাভ করে।
এমন লোকেরা পুত্রবাহুল্য হইলে খড়্গে নষ্ট হইবে, তাহার সন্তানসন্ততি ভক্ষ্যে তৃপ্ত হইবে না;
তুমি উচ্ছিন্ন করিবে পৃথিবী হইতে তাহাদের ফল, মনুষ্য-সন্তানদের মধ্য হইতে তাহাদের বংশ।
তাহার প্রতি কৃপা করে, এমন কেহ না থাকুক, তাহার অনাথ সন্তানদের প্রতি কেহ অনুগ্রহ না করুক।
তাহার ভাবী বংশ উচ্ছিন্ন হউক, পরপুরুষের সময়ে তাহাদের নাম লুপ্ত হউক।
মন্দের পরিশোধে কাহারও মন্দ করিও না; সকল মনুষ্যের দৃষ্টিতে যাহা উত্তম, ভাবিয়া চিন্তিয়া তাহাই কর।
অবশেষে, হে ভ্রাতৃগণ, যাহা যাহা সত্য, যাহা যাহা আদরণীয়, যাহা যাহা ন্যায্য, যাহা যাহা বিশুদ্ধ, যাহা যাহা প্রীতিজনক, যাহা যাহা সুখ্যাতিযুক্ত, যে কোন সদ্গুণ ও যে কোন কীর্ত্তি হউক, সেই সকল আলোচনা কর।