আমি রৌপ্য ও সুবর্ণ এবং নানা রাজার ও নানা প্রদেশের বিশেষ বিশেষ ধন সঞ্চয় করিলাম; আমি অনেক গায়ক গায়িকা ও মনুষ্য-সন্তানদের সন্তোষকারিণী কত উপপত্নী পাইলাম।
Cross references
এখন কি ভাল মন্দের বিশেষ বুঝিতে পারি? যাহা ভোজন করি বা যাহা পান করি, আপনার দাস আমি কি তাহার আস্বাদ বুঝিতে পারি? এখন কি আর গায়ক ও গায়িকাদের গানের শব্দ শুনিতে পাই? তবে কেন আপনার এই দাস আমার প্রভু মহারাজের ভারস্বরূপ হইবে?
আর হীরম এক শত বিশ তালন্ত স্বর্ণ রাজাকে পাঠাইয়া দিয়াছিলেন।
তাহারা ওফীরে গিয়া তথা হইতে চারি শত বিশ তালন্ত স্বর্ণ লইয়া শলোমন রাজার নিকটে আনিল।
পরে তিনি রাজাকে এক শত বিশ তালন্ত স্বর্ণ ও অতি প্রচুর সুগন্ধি দ্রব্য ও মণি উপঢৌকন দিলেন; শিবার রাণী শলোমন রাজাকে যত সুগন্ধি দ্রব্য দিলেন, তত প্রচুর সুগন্ধি দ্রব্য আর কখনও আইসে নাই।
এক বৎসর মধ্যে শলোমনের কাছে ছয় শত ছেষট্টি তালন্ত পরিমিত স্বর্ণ আসিত।
শলোমন রাজার সমস্ত পানপাত্র স্বর্ণময় ছিল, ও লিবানোন অরণ্যস্থ বাটীর যাবতীয় পাত্র নির্ম্মল স্বর্ণময় ছিল; রৌপ্যময় কিছুই ছিল না; শলোমনের অধিকারে তাহা কিছুরই মধ্যে গণ্য ছিল না।
সাত শত রমণী তাঁহার পত্নী, ও তিশ শত তাঁহার উপপত্নী ছিল; তাঁহার সেই স্ত্রীরা তাঁহার হৃদয়কে বিপথগামী করিল।
শলোমনের পুত্র রহবিয়াম যিহূদা দেশে রাজত্ব করিলেন। রহবিয়াম একচল্লিশ বৎসর বয়সে রাজত্ব করিতে আরম্ভ করেন, এবং সদাপ্রভু আপন নাম স্থাপনার্থে ইস্রায়েলের সমস্ত বংশের মধ্য হইতে যে নগর মনোনীত করিয়াছিলেন, সেই যিরূশালেমে তিনি সতের বৎসর রাজত্ব করেন; তাঁহার মাতার নাম নয়মা, তিনি অম্মোনীয়া।
পরে রহবিয়াম রাজা তৎপরিবর্ত্তে পিত্তলময় ঢাল নির্ম্মাণ করাইয়া রাজবাটীর দ্বারপাল পদাতিকদিগের অধ্যক্ষগণের হস্তে সমর্পণ করিলেন।
আর দায়ূদ ও সেনাপতিগণ সেবাকর্ম্মের জন্য আসফের, হেমনের ও যিদূথূনের কয়েকটী সন্তানকে পৃথক্ করিয়া বীণা, নেবল ও করতাল সহযোগে ভাবোক্তি গান করিবার ভার [দিলেন]; তাহাদের সেবাকর্ম্মানুসারে কর্ম্মকারীদের সংখ্যা।
ইহারা সকলে ঈশ্বরের গৃহের সেবাকর্ম্মের জন্য করতাল, নেবল ও বীণা দ্বারা সদাপ্রভুর গৃহে গান করিবার জন্য তাহাদের পিতার অধীন ছিলেন; আসফ, যিদূথূন ও হেমন রাজার অধীন ছিলেন।
সেই চন্দনকাষ্ঠ দ্বারা রাজা সদাপ্রভুর গৃহের ও রাজবাটীর নিমিত্ত সোপান, গায়কদের জন্য বীণা এবং নেবল প্রস্তুত করাইলেন। পূর্ব্বে যিহূদা দেশে কেহ কখনও সেইরূপ দেখে নাই।
তাহাতে শলোমন রাজা পিটান স্বর্ণময় দুই শত বৃহৎ ঢাল প্রস্তুত করিলেন; তাহার প্রত্যেক ঢালে ছয় শত শেকল পরিমিত পিটান স্বর্ণ ছিল।
তদ্ভিন্ন তাহাদের সাত সহস্র তিন শত সাঁইত্রিশ জন দাসদাসী ছিল, আর তাহাদের দুই শত জন গায়ক ও গায়িকা ছিল।
তাহারা আপন আপন শিশুদিগকে মেষপালের ন্যায় বাহিরে চালায়, তাহাদের সন্তানগণ নৃত্য করে।
তূরীধ্বনি-সহ তাঁহার প্রশংসা কর; নেবল ও বীণাযন্ত্রে তাঁহার প্রশংসা কর।
উপদেশক কহিতেছেন, অসারের অসার, অসারের অসার, সকলই অসার।
যে সময়ে তোমরা শৃঙ্গ, বংশী, বীণা, চতুস্তন্ত্রী, পরিবাদিনী ও মৃদঙ্গ প্রভৃতি সর্ব্বপ্রকার যন্ত্রের বাদ্যশুনিবে, তৎকালে রাজা নবূখদ্নিৎসরের স্থাপিত স্বর্ণময় প্রতিমার সম্মুখে উপুড় হইয়া প্রণাম করিবে।
অতএব সমস্ত লোক যখন শৃঙ্গ, বংশী, বীণা, চতুস্তন্ত্রী ও পরিবাদিনী প্রভৃতি সর্ব্বপ্রকার যন্ত্রের বাদ্য শুনিল, তখন সমস্ত লোকবৃন্দ, জাতি ও ভাষাবাদী উপুড় হইয়া রাজা নবূখদ্নিৎসরের স্থাপিত স্বর্ণময় প্রতিমাকে প্রণাম করিল।
এখনও যদি তোমরা শৃঙ্গ, বংশী, বীণা, চতুস্তন্ত্রী, পরিবাদিনী ও মৃদঙ্গ প্রভৃতি সর্ব্বপ্রকার যন্ত্রের বাদ্য শুনিবামাত্র আমার নির্ম্মিত স্বর্ণ-প্রতিমাকে উপুড় হইয়া প্রণাম করিতে প্রস্তুত হও, ভালই; কিন্তু যদি প্রণাম না কর, তবে সেই দণ্ডেই প্রজ্বলিত অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হইবে; আর এমন দেবতা কে যে, আমার হস্ত হইতে তোমাদিগকে উদ্ধার করিবে?
তাহারা নেবল-যন্ত্রের বাদ্যে বিষম গান করে, দায়ূদের ন্যায় আপনাদের নিমিত্ত নানা বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবন করে;