জ্ঞানবানদের বাক্য সরল অঙ্কুশস্বরূপ, ও সভাপতিগণের [বাক্য] পোতা গোঁজস্বরূপ, তাহারা একই পালক দ্বারা দত্ত হইয়াছে। আর শেষ কথা এই, হে বৎস, তুমি এই সকল হইতে উপদেশ গ্রহণ কর;
Cross references
কিন্তু তাহার ধনুক দৃঢ় থাকিল, তাহার হস্তের বাহুযুগল বলবান্ রহিল, যাকোবের একবীরের হস্ত দ্বারা, যিনি ইস্রায়েলের পালক ও শৈল, তাঁহার দ্বারা,
আর এখন আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর কাছে ক্ষণকাল জন্য আমাদের কৃপালাভ হইল, যেন তিনি আমাদের কতকগুলি অবশিষ্ট লোককে রক্ষা করেন, আপন পবিত্র স্থানে আমাদিগকে একটী গোঁজ দেন, আমাদের ঈশ্বর যেন আমাদের চক্ষু দীপ্তিময় করেন ও দাসত্বের অবস্থায় একটুকু প্রাণ জুড়াইয়া দেন।
সদাপ্রভু আমার পালক, আমার অভাব হইবে না।
হে ইস্রায়েলের পালক, কর্ণপাত কর, যোষেফকে মেষপালবৎ চালাও যে তুমি, করূবদ্বয়ে আসীন যে তুমি, তুমি দেদীপ্যমান হও।
এতদ্দ্বারা দৃষ্টান্ত কথা ও রূপক বুঝা যায়, জ্ঞানবানদের বাক্য ও তাহাদের সমস্যা বুঝা যায়।
ধার্ম্মিকের ওষ্ঠাধর অনেককে প্রতিপালন করে, কিন্তু অজ্ঞানেরা বুদ্ধির অভাবে মারা পড়ে।
তুমি কর্ণ পাতিয়া জ্ঞানবানদের কথা শুন, আমার জ্ঞানে মনোনিবেশ কর।
যেমন লোকে দৃঢ় স্থানে দাণ্ডা বদ্ধ করে, তেমনি তাহাকে বদ্ধ করিব; সে আপন পিতৃকুলের প্রতাপ-সিংহাসনস্বরূপ হইবে।
তিনি মেষপালকের ন্যায় আপন পাল চরাইবেন, তিনি শাবকদিগকে বাহুতে সংগ্রহ করিবেন, এবং কোলে করিয়া বহন করিবেন; দুগ্ধবতী সকলকে তিনি ধীরে ধীরে চালাইবেন।
সদাপ্রভু কহেন, শস্যের কাছে পোয়াল কি? সদাপ্রভু কহেন, আমার বাক্য কি অগ্নির তুল্য নয়? তাহা কি হাতুড়ির তুল্য নয়, যাহা পাষাণ খণ্ডবিখণ্ড করে?
আর আমি তাহাদের উপরে একমাত্র পালককে উৎপন্ন করিব, তিনি তাহাদিগকে পালন করিবেন, তিনি আমার দাস দায়ূদ; তিনিই তাহাদিগকে চরাইবেন, এবং তিনিই তাহাদের পালক হইবেন।
কিন্তু অনেক ফরীশী ও সদ্দূকী বাপ্তিস্মের জন্য আসিতেছে দেখিয়া তিনি তাহাদিগকে কহিলেন, হে সর্পের বংশেরা, আগামী কোপ হইতে পলায়ন করিতে তোমাদিগকে কে চেতনা দিল?
যীশু উত্তর করিয়া তাঁহাকে কহিলেন, তুমি ইস্রায়েলের গুরু, আর এ সকল বুঝিতেছ না?
আমিই উত্তম মেষপালক; আমার নিজের সকলকে আমি জানি, এবং আমার নিজের সকলে আমাকে জানে,
এই কথা শুনিয়া তাহাদের হৃদয়ে যেন শেল বিদ্ধ হইল, এবং তাহারা পিতরকে ও অন্য প্রেরিতদিগকে বলিতে লাগিল, ভ্রাতৃগণ, আমরা কি করিব?
কারণ আমাদের যুদ্ধের অস্ত্রশস্ত্র মাংসিক নহে, কিন্তু দুর্গসমূহ ভাঙ্গিয়া ফেলিবার জন্য ঈশ্বরের সাক্ষাতে পরাক্রমী।
কেননা ঈশ্বরের বাক্য জীবন্ত ও কার্য্যসাধক, এবং সমস্ত দ্বিধার খড়্গ অপেক্ষা তীক্ষ্ণ, এবং প্রাণ ও আত্মা, গ্রন্থি ও মজ্জা, এই সকলের বিভেদ পর্য্যন্ত মর্ম্মবেধী, এবং হৃদয়ের চিন্তা ও বিবেচনার সূক্ষ্ম বিচারক;
আর শান্তির ঈশ্বর, যিনি অনন্তকালস্থায়ী নিয়মের রক্ত প্রযুক্ত সেই মহান্ পাল-রক্ষককে, আমাদের প্রভু যীশুকে, মৃতগণের মধ্য হইতে উঠাইয়া আনিয়াছেন,
তাহাতে প্রধান পালক প্রকাশিত হইলে তোমরা অম্লান প্রতাপমুকুট পাইবে।