আর এই দুই রাজার চিত্ত হিংসাপূর্ণ হইবে, এবং তাহারা এক মেজে বসিয়া মিথ্যাকথা কহিবে, কিন্তু তাহা সফল হইবে না, কেননা তখনও শেষ নিরূপিত কালের অপেক্ষা করিবে।
Cross references
তখন অবশালোম কহিল, যদ্যপি তাহা না হয়, তবে আমার ভ্রাতা অম্নোনকে আমাদের সঙ্গে যাইতে দিউন; রাজা তাহাকে কহিলেন, সে কেন তোমার সঙ্গে যাইবে?
প্রতিজন প্রতিবাসীর সহিত অলীক কথা কহে; চাটুবাদী ওষ্ঠাধরে ও দ্বিধা চিত্তে কথা কহে।
বীর, তুমি কেন অনিষ্টকার্য্যের শ্লাঘা করিতেছ? ঈশ্বরের দয়া নিত্যস্থায়ী।
তোমরা হৃদয়ে দুষ্টতা সাধন করিতেছ। দেশে স্বহস্তের উপদ্রব তৌল করিতেছে।
সামান্য লোকেরা বাষ্পমাত্র, মান্যবান লোকেরা মিথ্যা; তাহাদিগকে তৌল করিলে তাহারা উপরে উঠে; তাহাদের সর্ব্বস্ব বাষ্প অপেক্ষা লঘু।
তাহারা অপরাধের সন্ধান করিয়া লয়, [বলে,] আমরা সন্ধানের চূড়ান্ত করিয়াছি, প্রত্যেকের অন্তর্ভাব ও হৃদয় গভীর।
কু-কল্পনাকারীদের হৃদয়ে ছল থাকে; কিন্তু যাহারা শান্তির মন্ত্রণা দেয়, তাহাদের আনন্দ হয়।
মানুষের মনে অনেক সঙ্কল্প হয়, কিন্তু সদাপ্রভুরই মন্ত্রণা স্থির থাকিবে।
কুদৃষ্টিকারীর খাদ্য ভোজন করিও না, তাহার সুস্বাদু ভক্ষ্যে লালসা করিও না;
অনুরাগী ওষ্ঠাধর ও দুষ্ট হৃদয় খাদ-রৌপ্যে মণ্ডিত মৃৎপাত্রস্বরূপ।
তাহারা জিহ্বারূপ ধনুকে মিথ্যারূপ বাণ যোজনা করে; এবং দেশে বিশ্বস্ততার পক্ষে তাহাদের বিক্রম প্রকাশ হয় নাই; বরং তাহারা দুষ্টতা হইতে দুষ্টতার প্রতি অগ্রসর হয়, এবং তাহারা আমাকে জানে না, ইহা সদাপ্রভু কহেন।
ইলীশামার পৌত্র নথনিয়ের পুত্র ইশ্মায়েল রাজার প্রধান কর্ম্মচারীদের মধ্যে গণিত রাজবংশীয় ছিল; সপ্তম মাসে সে দশ জন পুরুষকে সঙ্গে লইয়া মিস্পাতে অহীকামের পুত্র গদলিয়ের নিকটে আসিল; আর তাহারা মিস্পাতে একত্র ভোজন করিল।
তুমি বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, সে কি কৃতকার্য্য হইবে? তাহার মূল কি উৎপাটিত হইবে না? তাহার ফল কি কাটা যাইবে না? সে শুষ্ক হইবে, ও তাহার ডালের নবীন ডগা সকল ম্লান হইবে। তাহার মূল হইতে তাহাকে তুলিয়া লইবার জন্য বলবান হস্ত ও অনেক সৈন্য লাগিবে না।
তাহাতে আমি যে স্থানে দাঁড়াইয়া ছিলাম, তিনি সেই স্থানের নিকটে আসিলেন; তিনি আসিলে আমি ত্রাসযুক্ত হইলাম, উপুড় হইয়া পড়িলাম; কিন্তু তিনি আমাকে কহিলেন, হে মনুষ্য-সন্তান, বুঝিয়া লও, কারণ এই দর্শন শেষকাল-বিষয়ক।
আর তিনি কহিলেন, দেখ, ক্রোধের উত্তরকালে যাহা ঘটিবে, তাহা আমি তোমাকে জানাই, কেননা এ নিরূপিত শেষকালের কথা।
পারস্য-রাজ কোরসের তৃতীয় বৎসরে বেল্টশৎসর নামে আখ্যাত দানিয়েলের নিকটে এক বাক্য প্রকাশিত হইল, সেই বাক্য সত্য, ও মহাযুদ্ধসূচক; তিনি বাক্য বুঝিলেন, সেই দর্শনও বুঝিতে পারিলেন।
নিরূপিত কালে সে ফিরিয়া আসিবে, দক্ষিণ দেশে প্রবেশ করিবে, কিন্তু পূর্ব্বকালে যেমন ছিল, উত্তরকালে তেমন হইবে না।
আর বুদ্ধিমানদের মধ্যে কেহ কেহ পতিত হইবে, যেন তাহারা পরীক্ষাসিদ্ধ, পরিষ্কৃত ও শুক্লীকৃত হয়; শেষ পর্য্যন্ত হইা হইবে; কেননা তখনও নিরূপিত কালের অপেক্ষা করা যাইবে।
পরে শেষকালে দক্ষিণ দেশের রাজা তাহাকে ঢুসাইবে; আর উত্তর দেশের রাজা রথের, অশ্বারোহীদের ও অনেক জাহাজের সহিত ঘূর্ণ্যবায়ুর ন্যায় তাহার বিরুদ্ধে আসিবে; এবং নানা দেশের মধ্যে প্রবেশ করিবে ও উথলিয়া উঠিয়া বাড়িতে থাকিবে।
কেননা এই দর্শন এখনও নিরূপিত কালের নিমিত্ত, ও তাহা পরিনামের আকাঙ্ক্ষা করিতেছে, আর মিথ্যা হইবে না; তাহার বিলম্ব হইলেও তাহার অপেক্ষা কর, কেননা তাহা অবশ্য উপস্থিত হইবে, যথাকালে বিলম্ব করিবে না।
তিনি তাঁহাদিগকে বলিলেন, যে সকল সময় কি কাল পিতা নিজ কর্ত্তৃত্বের অধীন রাখিয়াছেন, তাহা তোমাদের জানিবার বিষয় নয়।
কেননা তিনি একটী দিন স্থির করিয়াছেন, যে দিনে আপনার নিরূপিত ব্যক্তি দ্বারা ন্যায়ে জগৎ-সংসারের বিচার করিবেন; এই বিষয়ে সকলের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিয়াছেন, ফলতঃ মৃতগণের মধ্য হইতে তাঁহাকে উঠাইয়াছেন।
কিন্তু, হে ভ্রাতৃগণ, বিশেষ বিশেষ কালের ও সময়ের বিষয়ে তোমাদিগকে কিছু লেখা অনাবশ্যক।