তাঁহার শরীর বৈদূর্য্যমণির ন্যায়, তাঁহার মুখ বিদ্যুতের প্রভার ন্যায়, তাঁহার চক্ষু জ্বলন্ত মশালের ন্যায়, তাঁহার হস্ত পদ পরিষ্কৃত পিত্তলের আভাবিশিষ্ট, এবং তাঁহার বাক্যের রব লোকারণ্যের শব্দের ন্যায়।
Cross references
এবং চতুর্থ পংক্তিতে বৈদূর্য্য, গোমেদক ও সূর্য্যকান্ত; এই সকল স্ব স্ব পংক্তিতে স্বর্ণে আঁটা হইবে।
তাহাদের চরণ সোজা, পদতল গোবৎসের পদতলের ন্যায়, এবং তাহারা পরিষ্কৃত পিত্তলের তেজের ন্যায় চাক্চিক্যশালী।
আর ঐ প্রাণিগণের দ্রুত যাতায়াত বিদ্যুল্লতার আভার সদৃশ।
চারি চক্রের আভা ও রচনা বৈদূর্য্যমণির প্রভার ন্যায়; চারিটীর রূপ একই, এবং তাহাদের আভা ও রচনা চক্রের মধ্যস্থিত চক্রের ন্যায় ছিল।
আর তাহাদের গমন কালে আমি তাহাদের পক্ষ সকলের ধ্বনিও শুনিলাম, তাহা মহাজলরাশির কল্লোলের ন্যায়, সর্ব্বশক্তিমানের রবের ন্যায়, সৈন্যসামন্তের ধ্বনির ন্যায় তুমুল ধ্বনি। দণ্ডায়মান হইবার সময় তাহারা আপন আপন পক্ষ শিথিল করিত।
তাহাতে আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, অগ্নির আকারের ন্যায় এক মূর্ত্তি; তাঁহার কটির আকৃতি অবধি নীচের দিকে অগ্নিময়, এবং কটি অবধি উপরের দিকে যেন জ্যোতির আকৃতি ও প্রতপ্ত ধাতুর প্রভা।
পরে আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, এক করূবের পার্শ্বে এক চক্র, অন্য করূবের পার্শ্বে অন্য চক্র, এইরূপে চারি করূবের পার্শ্বে চারি চক্র; ঐ চক্র সকলের আভা বৈদুর্য্যমণির প্রভার ন্যায়।
পরে তিনি তাঁহাদের সাক্ষাতে রূপান্তরিত হইলেন; তাঁহার মুখ সূর্য্যের ন্যায় দেদীপ্যমান, এবং তাঁহার বস্ত্র দীপ্তির ন্যায় শুভ্র হইল।
আর তিনি প্রার্থনা করিতেছেন, এমন সময়ে তাঁহার মুখের দৃশ্য অন্যরূপ হইল, এবং তাঁহার বস্ত্র শুভ্র ও চাক্চক্যময় হইল।
সপ্ত সুবর্ণ দীপবৃক্ষ, ও সেই সকল দীপবৃক্ষের মধ্যে “মনুষ্যপুত্রের ন্যায় এক ব্যক্তি”; তিনি পাদপর্য্যন্ত পরিচ্ছদে আচ্ছন্ন, এবং “বক্ষঃস্থলে সুবর্ণ পটুকায় বদ্ধকটি;
পরে আমি আর এক শক্তিমান্ দূতকে স্বর্গ হইতে নামিয়া আসিতে দেখিলাম। তাঁহার পরিচ্ছদ মেঘ, তাঁহার মস্তকের উপরে মেঘধনুক, তাঁহার মুখ সূর্য্যতুল্য, তাঁহার চরণ অগ্নিস্তম্ভতুল্য,
এবং সিংহগর্জ্জনের ন্যায় হুঙ্কারশব্দে চীৎকার করিলেন; আর তিনি চীৎকার করিলে সপ্ত মেঘধ্বনি আপন আপন রব শুনাইল।
তাঁহার চক্ষু অগ্নিশিখা, এবং তাঁহার মস্তকে অনেক কিরীট; এবং তাঁহার একটী লিখিত নাম আছে, যাহা তিনি ব্যতীত অন্য কেহ জানে না।
চতুর্থ মরকতের, পঞ্চম বৈদূর্য্যের, ষষ্ঠ সার্দ্দীয় মণির, সপ্তম স্বর্ণমণির, অষ্টম গোমেদকের, নবম পদ্মরাগের, দশম লশুনীয়ের, একাদশ পেরোজের, দ্বাদশ কটাহেলার।