পার্থীয়, মাদীয় ও এলমীয় লোক, এবং মিসপতামিয়া, যিহূদিয়া ও কাপ্পাদকিয়া, পন্ত ও আশিয়া,
Cross references
শেমের এই সকল সন্তান—এলম, অশূর, অফক্ষদ, লূদ ও অরাম।
শিনিয়রের অম্রাফল রাজা, ইল্লাসরের অরিয়োক রাজা, এলমের কদলায়োমর রাজা এবং গোয়ীমের
পরে সেই দাস আপন প্রভুর উষ্ট্রদের মধ্য হইতে দশটা উষ্ট্র ও আপন প্রভুর সর্ব্ববিধ উত্তম দ্রব্য হস্তে লইয়া প্রস্থান করিলেন, অরাম-নহরয়িম দেশে, নাহোরের নগরে যাত্রা করিলেন।
কেননা মিসর হইতে তোমাদের আসিবার সময়ে তাহারা পথে অন্ন জল লইয়া তোমাদের সহিত সাক্ষাৎ করে নাই; আবার তোমাকে শাপ দিবার জন্য তোমার বিরুদ্ধে অরাম-নহরয়িমস্থ পথোরনিবাসী বিয়োরের পুত্র বিলিয়মকে উৎকোচ দিয়াছিল।
অতএব ইস্রায়েলের প্রতি সদাপ্রভুর ক্রোধ প্রজ্বলিত হইল, আর তিনি অরাম-নহরয়িমের রাজা কূশন-রিশিয়াথয়িমের হস্তে তাহাদিগকে বিক্রয় করিলেন, আর ইস্রায়েল-সন্তানগণ আট বৎসর পর্য্যন্ত কূশন-রিশিয়াথয়িমের দাসত্ব করিল।
হোশেয়ের নবম বৎসরে অশূর-রাজ শমরিয়া হস্তগত করিয়া ইস্রায়েলকে অশূরে লইয়া গেলেন, এবং হলহে ও হাবোরে গোষণের নদীতীরে ও মাদীয়দের নানা নগরে বসাইয়া দিলেন।
অম্মোন-সন্তানগণ যখন দেখিতে পাইল যে, তাহারা দায়ূদের কাছে আপনাদিগকে ঘৃণার পাত্র করিয়াছে, তখন হানূন ও অম্মোন-সন্তানগণ অরাম-নহরয়িম, অরাম-মাখা ও সোবা হইতে রথ ও অশ্বারোহীদিগকে বেতন দিয়া আনিবার জন্য এক সহস্র তালন্ত রৌপ্য পাঠাইল।
পরে মাদীয় প্রদেশের অক্মথা নামক রাজপুরীতে একখানা খাতা পাওয়া গেল; তন্মধ্যে স্মরণার্থে এই কথা লিখিত ছিল,
আর সেই দিন এই ঘটিবে, প্রভু আপন প্রজাগণের অবশিষ্টাংশকে মুক্ত করিয়া আনিবার জন্য দ্বিতীয়বার হস্তক্ষেপ করিবেন, অর্থাৎ অশূর হইতে, মিসর হইতে, পথ্রোষ হইতে, কূশ হইতে, এলম হইতে, শিনিয়র হইতে হমাৎ হইতে ও সমুদ্রের উপকূলসমূহ হইতে অবশিষ্ট লোকদিগকে আনিবেন।
এক নিদারুণ দর্শন আমাকে জ্ঞাত করা হইল; বিশ্বাসঘাতক বিশ্বাসঘাতকতা করিতেছে, বিনাশক বিনাশ করিতেছে। হে এলম, উঠিয়া যাও; হে মাদিয়া, অবরোধ কর; আমি উহার ঘটিত সমস্ত বিলাপ নিবৃত্ত করিয়াছি।
আমি দর্শনক্রমে দৃষ্টিপাত করিতে করিতে দেখিলাম, যেন আমি এলম প্রদেশস্থ শূশন রাজবাটীতে আছি; আবার দর্শনক্রমে দেখিলাম, যেন আমি ঊলয় নদীর তীরে আছি।
তুমি দুই শৃঙ্গবিশিষ্ট যে মেষ দেখিলে, সে মাদীয় ও পারসীক রাজা।
কিন্তু যাহাকে লিবর্ত্তীনদের সমাজ-গৃহ বলে, তাহার কয়েক জন, এবং কোন কোন কুরীণীয় ও আলেক্সান্দ্রীয় লোক, এবং কিলিকিয়া ও এশিয়ার কতকগুলি লোক উঠিয়া স্তিফানের সহিত বাদানুবাদ করিতে লাগিল।
হে ভ্রাতারা ও পিতারা, শুনুন। আমাদের পিতা অব্রাহাম হারণে বসতি করিবার পূর্ব্বে যে সময়ে মিসপতামিয়ায় ছিলেন, তৎকালে প্রতাপের ঈশ্বর তাঁহাকে দর্শন দিয়াছিলেন, আর বলিয়াছিলেন,
তাঁহারা ফরুগিয়া ও গালাতিয়া দেশ দিয়া গমন করিলেন, কেননা এশিয়া দেশে বাক্য প্রচার করিতে পবিত্র আত্মা কর্ত্তৃক নিবারিত হইয়াছিলেন;
আর তিনি আক্বিলা নামে এক যিহূদীর দেখা পাইলেন; ইনি জাতিতে পন্তীয়, অল্প দিন পূর্ব্বে আপন স্ত্রী প্রিষ্কিল্লার সহিত ইতালিয়া হইতে আসিয়াছিলেন, কেননা ক্লৌদিয় সমুদয় যিহূদীকে রোম হইতে চলিয়া যাইতে আজ্ঞা করিয়াছিলেন। পৌল তাঁহাদের কাছে গেলেন।
এইরূপে দুই বৎসর কাল চলিল; তাহাতে এশিয়া-নিবাসী যিহূদী ও গ্রীক সকলেই প্রভুর বাক্য শুনিতে পাইল।
ইহাতে এই আশঙ্কা হইতেছে, কেবল আমাদের এই ব্যবসায়ের দুর্নাম হইবে, তাহা নয়; কিন্তু মহাদেবী দীয়ানার মন্দির নগণ্য হইয়া পড়িবে, আবার যাঁহাকে সমস্ত এশিয়া, এমন কি, জগৎসংসার পূজা করে, তিনিও মহিমাচ্যুত হইবেন।
আর এশিয়ার অধ্যক্ষদের মধ্যে কয়েক জন তাঁহার বন্ধু ছিলেন বলিয়া তাঁহার কাছে লোক পাঠাইয়া এই নিবেদন করিলেন, যেন তিনি রঙ্গভূমিতে আপনার বিপদ ঘটাইতে না যান।
কারণ পৌল ইফিষ ফেলিয়া যাইতে স্থির করিয়াছিলেন, যাহাতে এশিয়াতে তাঁহার কালবিলম্ব না হয়; তিনি ত্বরা করিতেছিলেন, যেন সাধ্য হইলে পঞ্চাশত্তমীর দিন যিরূশালেমে উপস্থিত থাকিতে পারেন।
তাঁহারা তাঁহার নিকটে উপস্থিত হইলে তিনি তাঁহাদিগকে কহিলেন,—তোমরা জান, এশিয়া দেশে আসিয়া, আমি প্রথম দিন অবধি তোমাদের সঙ্গে কিরূপে সমস্ত কাল যাপন করিয়াছি,
আর তাঁহাদের গৃহস্থিত মণ্ডলীকেও মঙ্গলবাদ কর। আমার প্রিয় ইপেনিত, যিনি খ্রীষ্টের উদ্দেশে এশিয়া দেশের অগ্রিমাংশ, তাঁহাকে মঙ্গলবাদ কর।
এশিয়ার মণ্ডলী সকল তোমাদিগকে মঙ্গলবাদ করিতেছে। আক্বিলা ও প্রিষ্কা এবং তাঁহাদের গৃহস্থিত মণ্ডলী তোমাদিগকে প্রভুতে অনেক মঙ্গলবাদ করিতেছেন।
কারণ, হে ভ্রাতৃগণ, এশিয়ায় আমাদের যে ক্লেশ ঘটিয়াছিল, তোমরা যে সে বিষয় অজ্ঞাত থাক, ইহা আমাদের ইচ্ছা নয়; ফলতঃ আত্যন্তিক দুঃখভারে আমরা শক্তির অতিরিক্তরূপে ভারগ্রস্ত হইয়া পড়িয়াছিলাম; এমন কি, জীবনের আশাও ছাড়িয়া দিয়াছিলাম;
তুমি জান, এশিয়াতে যাহারা আছে, তাহারা সকলে আমার নিকট হইতে সরিয়া পড়িয়াছে; তাহাদের মধ্যে ফুগিল্ল ও হর্ম্মগিনি আছে।
পিতর, যীশু খ্রীষ্টের প্রেরিত,—পন্ত, গালাতিয়া, কাপ্পাদকিয়া, এশিয়া ও বিথুনিয়া দেশে যে ছিন্নভিন্ন প্রবাসিগণ
যোহন—এশিয়ায় স্থিত সপ্ত মণ্ডলীর সমীপে। যিনি আছেন, ও যিনি ছিলেন, ও যিনি আসিতেছেন, তাঁহা হইতে, এবং তাঁহার সিংহাসনের সম্মুখবর্ত্তী সপ্ত আত্মা হইতে,
কেহ কহিলেন, তুমি যাহা দেখিতেছ, তাহা পত্রিকায় লিখ, এবং ইফিষ, স্মুর্ণা, পর্গাম, থুয়াতীরা, সার্দ্দি, ফিলাদিল্ফিয়া ও লায়দিকেয়া, এই সপ্ত মণ্ডলীর নিকটে পাঠাইয়া দেও।