আর সেই সময়ে এই পথের বিষয় বিষম হুলস্থূল পড়িয়া গেল।
Cross references
তিনি মহাযাজকের নিকটে গিয়া, দম্মেশকস্থ সমাজ সকলের প্রতি পত্র যাচ্ঞা করিলেন, যেন সেই পথাবলম্বী পুরুষ ও স্ত্রী যে সমস্ত লোককে পান, তাহাদিগকে বাঁধিয়া যিরূশালেমে আনিতে পারেন।
তিনি সমাজ-গৃহে সাহসপূর্ব্বক কথা কহিতে আরম্ভ করিলেন। আর প্রিষ্কিল্লা ও আক্বিলা তাঁহার উপদেশ শুনিয়া তাঁহাকে আপনাদের নিকটে আনিলেন, এবং ঈশ্বরের পথ আরও সূক্ষ্মরূপে বুঝাইয়া দিলেন।
কিন্তু যখন কয়েক জন কঠিন ও অবাধ্য হইয়া লোকসমূহের সাক্ষাতে সেই পথের নিন্দা করিতে লাগিল, তখন তিনি তাহাদের নিকট হইতে চলিয়া গিয়া শিষ্যগণকে পৃথক্ করিলেন ও প্রতিদিন তূরাণ্ণের বিদ্যালয়ে কথা প্রসঙ্গ করিতে লাগিলেন।
আমি প্রাণনাশ পর্য্যন্ত এই পথের প্রতি উপদ্রব করিতাম, পুরুষ ও স্ত্রীলোকদিগকে বাঁধিয়া কারাগারে সমর্পণ করিতাম।
কিন্তু আপনার নিকটে আমি ইহা স্বীকার করি, ইহারা যাহাকে দল বলে, সেই পথ অনুসারে আমি পৈতৃক ঈশ্বরের আরাধনা করিয়া থাকি; যাহা যাহা ব্যবস্থার অনুযায়ী এবং যাহা যাহা ভাববাদি-গ্রন্থে লিখিত আছে, সে সমস্ত বিশ্বাস করি।
তখন ফীলিক্স, সেই পথের কথা অপেক্ষাকৃত সূক্ষ্মরূপে জ্ঞাত হওয়াতে, বিচার স্থগিত রাখিলেন, কহিলেন, লুষিয় সহস্রপতি যখন আসিবেন, তখন আমি তোমাদের বিচার নিষ্পত্তি করিব।
কারণ, হে ভ্রাতৃগণ, এশিয়ায় আমাদের যে ক্লেশ ঘটিয়াছিল, তোমরা যে সে বিষয় অজ্ঞাত থাক, ইহা আমাদের ইচ্ছা নয়; ফলতঃ আত্যন্তিক দুঃখভারে আমরা শক্তির অতিরিক্তরূপে ভারগ্রস্ত হইয়া পড়িয়াছিলাম; এমন কি, জীবনের আশাও ছাড়িয়া দিয়াছিলাম;
অপরিচিতের ন্যায়, অথচ সুপরিচিত; ম্রিয়মাণের ন্যায়, অথচ দেখ, জীবিত আছি; শাসিতের ন্যায়, অথচ হত নহি; দুঃখিতের ন্যায়,