পরে দায়ূদ রাজা বহুরীমে উপস্থিত হইলে দেখ, শৌলকুলের গোষ্ঠীভুক্ত গেরার পুত্র শিমিয়ি নামে এক ব্যক্তি তথা হইতে বাহির হইয়া আসিতে আসিতে শাপ দিল।
Cross references
কেননা তাহা তাহার একমাত্র আচ্ছাদন, তাহার গাত্রের বস্ত্র; সে কিসে শয়ন করিবে? আর যদি সে আমার কাছে ক্রন্দন করে, তবে আমি তাহা শুনিব, কেননা আমি কৃপাবান্।
তুমি ঈশ্বরকে ধিক্কার দিও না, এবং স্বজাতীয় লোকদের অধ্যক্ষকে শাপ দিও না।
পরে ঐ পলেষ্টীয় দায়ূদকে কহিল, আমি কি কুকুর যে, তুই দণ্ড লইয়া আমার কাছে আসিতেছিস্? আর সেই পলেষ্টীয় আপন দেবগণের নাম লইয়া দায়ূদকে শাপ দিল।
তখন তাঁহার স্বামী তাঁহার পশ্চাতে পশ্চাতে রোদন করিতে করিতে বহুরীম পর্য্যন্ত তাঁহার সঙ্গে সঙ্গে চলিল। পরে অব্নের তাহাকে কহিলেন, যাও, ফিরিয়া যাও; তাহাতে সে ফিরিয়া গেল।
পরে রাজা ও তাঁহার সঙ্গীরা সকলে অয়েফীমে [শ্রান্তদের স্থানে] আসিলেন, আর তিনি সেই স্থানে বিশ্রাম করিলেন।
কিন্তু এক জন যুবক তাহাদিগকে দেখিয়া অবশালোমকে জ্ঞাত করিল; আর তাহারা দুই জন শীঘ্র গিয়া বহুরীমে এক জন লোকের বাটীতে প্রবেশ করিল, এবং তাহার প্রাঙ্গণমধ্যে এক কূপ থাকাতে সেই কূপে নামিল।
তখন দায়ূদ রাজার সঙ্গে দেখা করিতে বহুরীম-নিবাসী গেরার পুত্র বিন্যামীনীয় শিমিয়ি ত্বরা করিয়া যিহূদার লোকদের সহিত আসিল।
আর বিন্যামীনীয় এক সহস্র লোক তাহার সঙ্গে ছিল, এবং শৌলের কুলের ভৃত্য সীবঃ ও তাহার পঞ্চদশ পুত্র ও বিংশতি দাস তাহার সহিত ছিল, তাহারা রাজার সাক্ষাতে জল ভাঙ্গিয়া যর্দ্দন পার হইল।
কিন্তু সরূয়ার পুত্র অবীশয় উত্তর করিলেন, এজন্য কি শিমিয়ির প্রাণদণ্ড হইবে না যে, সে সদাপ্রভুর অভিষিক্ত ব্যক্তিকে শাপ দিয়াছিল?
দায়ূদ কহিলেন, হে সরূয়ার পুত্রগণ! তোমাদের সহিত আমার বিষয় কি যে, তোমরা অদ্য আমার বিপক্ষ হইতেছ? অদ্য কি ইস্রায়েলের মধ্যে কাহারও প্রাণদণ্ড হইতে পারে? কারণ আমি কি জানি না যে, অদ্য আমি ইস্রায়েলের উপরে রাজা?
আর দেখ, তোমার কাছে বিন্যামীনীয় গেরার পুত্র বহুরীম-নিবাসী শিমিয়ি আছে; আমার মহনয়িমে যাইবার দিন সেই ব্যক্তি আমাকে নিদারুণ শাপ দিয়াছিল; কিন্তু সে আমার সহিত সাক্ষাৎ করিতে যর্দ্দনে আসিয়াছিল, আর আমি সদাপ্রভুর দিব্য করিয়া তাহাকে বলিয়াছিলাম, আমি তোমাকে খড়্গ দ্বারা বধ করিব না।
আর রাজা লোক পাঠাইয়া শিমিয়িকে ডাকাইয়া কহিলেন, তুমি যিরূশালেমে আপনার জন্য এক গৃহ নির্ম্মাণ করিয়া এই স্থানে বাস কর, এখান হইতে বাহির হইয়া অন্য কোন স্থানে যাইও না।
তৎকালে যায়ীরের পুত্র মর্দখয় নামে এক জন যিহূদী শূশন রাজধানীতে ছিলেন। সেই যায়ীরের পিতা শিমিয়ি, শিমিয়ির পিতা বিন্যামীনীয় কীশ।
তিনি ত আপন রজ্জু খুলিয়া আমাকে নত করিয়াছেন, তাহারা আমার সাক্ষাতে বল্গা ফেলিয়া দিয়াছে।
কেননা তাহারা তাহাকেই তাড়না করে, যাহাকে তুমি প্রহার করিয়াছ, তাহাদেরই ব্যথা বর্ণনা করে, যাহাদিগকে তুমি আঘাত করিয়াছ।
কেননা সে দয়া করিবার বিষয় মনে করিত না, কিন্তু তাড়না করিত দুঃখী ও দরিদ্র ব্যক্তিকে, ও ভগ্নান্তঃকরণ লোককে, বধ করিবার নিমিত্ত।
তাহারা শাপ দিউক, কিন্তু তুমি আশীর্ব্বাদ করিও; তাহারা উঠিলে লজ্জিত হইবে, কিন্তু তোমার এই দাস আনন্দ করিবে।
যেমন চটক ভ্রমণ করে, তালচোঁচ উড়িতে থাকে, তেমনি অকারণে দত্ত শাপ নিকটে আইসে না।
মনের মধ্যেও রাজাকে শাপ দিও না, আপনার শয়নাগারে ধনীকে শাপ দিও না; কেননা শূন্যের পক্ষী সেই শব্দ লইয়া যাইবে; যে পক্ষধারী, সে সেই কথা জ্ঞাত করিবে।
আর তাহারা ক্লিষ্ট ও ক্ষুধিত হইয়া দেশের মধ্য দিয়া গমন করিবে, এবং ক্ষুধিত হইলে রাগ করিয়া আপনাদের রাজাকে ও আপনাদের ঈশ্বরকে শাপ দিবে, এবং ঊর্দ্ধদিকে মুখ তুলিবে;
ধন্য তোমরা, যখন লোকে আমার জন্য তোমাদিগকে নিন্দা ও তাড়না করে, এবং মিথ্যা করিয়া তোমাদের বিরুদ্ধে সর্ব্বপ্রকার মন্দ কথা বলে।