পরে দায়ূদ জৈতুন পর্ব্বতের ঊর্দ্ধগামী পথ দিয়া উঠিলেন; তিনি উঠিবার সময়ে ক্রন্দন করিতে করিতে চলিলেন; তাঁহার মুখ আচ্ছাদিত ও পদ অনাবৃত ছিল, এবং তাঁহার সঙ্গী লোকেরা প্রত্যেকে আপন আপন মুখ আচ্ছাদন করিয়াছিল, এবং উঠিবার সময়ে রোদন করিতে করিতে চলিল।
Cross references
আর রাজা আপন মুখ ঢাকিয়া উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করিয়া বলিতে লাগিলেন, হায়! আমার পুত্র অবশালোম! হায় অবশালোম! আমার পুত্র! আমার পুত্র!
পরে যোয়াব গৃহের মধ্যে রাজার নিকটে আসিয়া কহিলেন, যাহারা আজ আপনার প্রাণ, আপনার পুত্র কন্যাদের প্রাণ ও আপনার ভার্য্যাদের প্রাণ ও আপনার উপপত্নীদের প্রাণ রক্ষা করিয়াছে, আপনার সেই দাসগণকে আপনি আজ বিষণ্ণবদন করিলেন।
পরে মর্দখয় রাজদ্বারে ফিরিয়া গেলেন, কিন্তু হামন শোকান্বিত হইয়া বস্ত্র দ্বারা মস্তক আচ্ছাদন করিয়া সত্বর আপন গৃহে চলিয়া গেল।
আমার নেত্রজল দিবারাত্র আমার ভক্ষ্য হইল, কেননা লোকে সমস্ত দিন আমাকে বলে, ‘তোমার ঈশ্বর কোথায়?’
হে আমার প্রাণ, কেন অবসন্ন হও? আমার অন্তরে কেন ক্ষুব্ধ হও? ঈশ্বরের অপেক্ষা কর; কেননা আমি আবার তাঁহার স্তব করিব; তিনি আমার মুখের পরিত্রাণ ও আমার ঈশ্বর।
যাহারা সজল নয়নে বীজ বপন করে, তাহারা আনন্দগান-সহ শস্য কাটিবে।
তৎকালে সদাপ্রভু আমোসের পুত্র যিশাইয় দ্বারা এই কথা কহিলেন, তুমি গিয়া আপন কটিদেশ হইতে চট মুক্ত কর, ও পদ হইতে পাদুকা খুল। তাহাতে তিনি তাহা করিলেন, বিবস্ত্র ও শূন্যপদ হইয়া ভ্রমণ করিতে লাগিলেন।
তাহাদের প্রধানেরা আপন আপন অধীনদিগকে জলের জন্য পাঠায়; তাহারা গর্ত্ত সকলের নিকটে আসিয়া কিছুমাত্র জল পায় না, শূন্য পাত্র হস্তে করিয়া ফিরিয়া যায়; তাহারা লজ্জিত ও বিষণ্ণ হইয়া মস্তক ঢাকিয়া রাখে।
দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়, নীরব হও, মৃতের জন্য বিলাপ করিও না; তুমি মস্তকে শিরোভূষণ বাঁধ, ও পায়ে পাদুকা দেও; তুমি ওষ্ঠাধর আচ্ছাদন করিও না, ও লোকদের [প্রেরিত] রুটী খাইও না।
তোমরা মস্তকে শিরোভূষণ ও চরণে পাদুকা দিবে, বিলাপ কি রোদন করিবে না, কিন্তু আপন আপন অপরাধে ক্ষীণ হইয়া যাইবে, এবং এক জন অন্য জনের কাছে কোঁকাইবে।
আর সেই দিন তাঁহার চরণ সেই জৈতুন পর্ব্বতের উপরে দাঁড়াইবে, যাহা যিরূশালেমের সম্মুখে পূর্ব্বদিকে অবস্থিত; তাহাতে জৈতুন পর্ব্বতের মধ্যদেশ পূর্ব্বদিকে ও পশ্চিমদিকে বিদীর্ণ হইয়া অতি বৃহৎ উপত্যকা হইয়া যাইবে, পর্ব্বতের অর্দ্ধেক উত্তরদিকে ও অর্দ্ধেক দক্ষিণদিকে সরিয়া যাইবে।
ধন্য যাহারা শোক করে, কারণ তাহারা সান্ত্বনা পাইবে।
পরে যখন জৈতুন নামক পর্ব্বতের পার্শ্বস্থ বৈৎফগী ও বৈথনিয়ার নিকটবর্ত্তী হইলেন, তখন তিনি দুই জন শিষ্যকে পাঠাইয়া দিলেন,
আর তিনি নিকটবর্ত্তী হইতেছেন, জৈতুন পর্ব্বত হইতে নামিবার স্থানে উপস্থিত হইয়াছেন, এমন সময়ে, সমুদয় শিষ্যদল যে সকল পরাক্রম-কার্য্য দেখিয়াছিল, সেই সমস্তের জন্য আনন্দপূর্ব্বক উচ্চ রবে ঈশ্বরের প্রশংসা করিয়া বলিতে লাগিল,
পরে যখন তিনি নিকটে আসিলেন, তখন নগরটী দেখিয়া তাহার জন্য রোদন করিলেন,
আর তিনি প্রতিদিন ধর্ম্মধামে উপদেশ দিতেন, এবং প্রতিরাত্রে বাহিরে গিয়া জৈতুন নামক পর্ব্বতে অবস্থিতি করিতেন।