বরং লজ্জার গুপ্ত কার্য্যসমূহে জলাঞ্জলি দিয়াছি, ধূর্ত্ততায় চলি না, ঈশ্বরের বাক্যে ভাঁজ দিই না, কিন্তু সত্য প্রকাশ দ্বারা ঈশ্বরের সাক্ষাতে মনুষ্যমাত্রের সংবেদের কাছে আপনাদিগকে যোগ্যপাত্র দেখাইতেছি।
Cross references
পরে তিনি কহিলেন, দ্বিতীয় বার উহা কর; তাহারা দ্বিতীয় বার তাহা করিল। পরে তিনি কহিলেন, তৃতীয় বার কর; তাহারা তৃতীয় বার তাহা করিল।
কেননা আমি সুসমাচার সম্বন্ধে লজ্জিত নহি; কারণ উহা প্রত্যেক বিশ্বাসীর পক্ষে পরিত্রাণার্থে ঈশ্বরের শক্তি; প্রথমতঃ যিহূদীর পক্ষে, আর গ্রীকেরও পক্ষে।
ভাল, এক্ষণে যে সমস্ত বিষয়ে তোমাদের লজ্জা বোধ হয়, তৎকালে সেই সকলে তোমাদের কি ফল হইত? বাস্তবিক সে সকলের পরিণাম মৃত্যু।
অতএব তোমরা সময়ের পূর্ব্বে, যে পর্য্যন্ত প্রভু না আইসেন, সেই পর্য্যন্ত কোন বিচার করিও না; তিনিই অন্ধকারের গুপ্ত বিষয় সকল দীপ্তিতে আনিবেন, এবং হৃদয়সমূহের মন্ত্রণা সকল প্রকাশ করিবেন; আর তৎকালে প্রত্যেক জন ঈশ্বর হইতে আপন আপন প্রশংসা পাইবে।
কারণ আমাদের শ্লাঘা এই, আমাদের সংবেদ সাক্ষ্য দিতেছে যে, ঈশ্বর-দত্ত পবিত্রতায় ও সরলতায়, মাংসিক বিজ্ঞতায় নয়, কিন্তু ঈশ্বরের অনুগ্রহে, আমরা জগতের মধ্যে, এবং আরও বাহুল্যরূপে তোমাদের প্রতি আচরণ করিয়াছি;
আমরা ত সেই অনেকের ন্যায় যে ঈশ্বরের বাক্যে ভাঁজ দিই, তাহা নয়; কিন্তু সরল ভাবে, ঈশ্বরের আদেশক্রমে, আমরা ঈশ্বরের সম্মুখে খ্রীষ্টে কথা কহিতেছি।
অতএব প্রভুর ভয় কি, তাহা জানাতে আমরা মনুষ্যদিগকে বুঝাইয়া লওয়াইতেছি, কিন্তু ঈশ্বরের প্রত্যক্ষ রহিয়াছি; আর আমি প্রত্যাশা করি যে, আমরা তোমাদের সংবেদেরও প্রত্যক্ষ রহিয়াছি।
কিন্তু ঈশ্বরের পরিচারক বলিয়া সর্ব্ববিষয়ে আপনাদিগকে যোগ্যপাত্র দেখাইতেছি,
কেননা তাঁহার কাছে আমি কোন বিষয়ে যদি তোমাদের জন্য শ্লাঘা করিয়া থাকি, তাহাতে লজ্জিত হই নাই; কিন্তু আমরা যেমন তোমাদের কাছে সকলই সত্যভাবে বলিয়াছি, তেমনি তীতের কাছে আমাদের কৃত সেই শ্লাঘাও সত্য হইল।
কিন্তু আশঙ্কা হইতেছে, পাছে সর্প যেমন আপন ধূর্ত্ততায় হবাকে প্রতারণা করিয়াছিল, তেমনি তোমাদের মন খ্রীষ্টের প্রতি সরলতা ও শুদ্ধতা হইতে ভ্রষ্ট হয়।
কিন্তু যদিও আমি বক্তৃতায় সামান্য, তথাপি জ্ঞানে সামান্য নই; ইহা আমরা সর্ব্ববিষয়ে সকল লোকের মধ্যে তোমাদের কাছে প্রকাশ করিয়াছি।
কেননা এরূপ লোকেরা ভাক্ত প্রেরিত, প্রতারক কর্ম্মকারী, তাহারা খ্রীষ্টের প্রেরিতদের বেশ ধারণ করে।
যেন আমরা আর বালক না থাকি, মনুষ্যদের ঠকামিতে, ধূর্ত্ততায়, ভ্রান্তির চাতুরীক্রমে তরঙ্গাহত এবং যে সে শিক্ষাবায়ুতে ইতস্ততঃ পরিচালিত না হই;
কেননা উহারা গোপনে যে সকল কর্ম্ম করে, তাহা উচ্চারণ করাও লজ্জার বিষয়।
কেননা আমাদের উপদেশ ভ্রান্তিমূলক কি অশুচিতামূলক বা ছলযুক্ত নয়।