কেননা শলোমন পাঁচ হস্ত দীর্ঘ, পাঁচ হস্ত প্রস্থ ও তিন হস্ত উচ্চ পিত্তলময় এক মঞ্চ নির্ম্মাণ করিয়া প্রাঙ্গণের মধ্যস্থলে রাখিয়াছিলেন; তিনি তাহার উপরে দাঁড়াইলেন, পরে সমস্ত ইস্রায়েল-সমাজের সম্মুখে হাঁটু পাতিয়া স্বর্গের দিকে অঞ্জলি বিস্তার করিলেন;
Cross references
তখন মোশি তাঁহাকে কহিলেন, আমি নগর হইতে বাহিরে গিয়াই সদাপ্রভুর দিকে অঞ্জলি বিস্তার করিব, তাহাতে মেঘগর্জ্জন নিবৃত্ত হইবে ও শিলাবৃষ্টি আর হইবে না, যেন আপনি জানিতে পারেন যে, পৃথিবী সদাপ্রভুরই।
আর তিনি তিন পংক্তি তক্ষিত প্রস্তর ও এক পংক্তি এরসকাষ্ঠের কড়ি দ্বারা ভিতর প্রাঙ্গণ নির্ম্মাণ করিলেন।
আর যেমন সদাপ্রভুর গৃহের মধ্য প্রাঙ্গণে ও গৃহের বারাণ্ডাতে, তদ্রূপ বড় প্রাঙ্গণের চারিদিকে তিন শ্রেণী তক্ষিত প্রস্তর ও এক শ্রেণী এরসকাষ্ঠ ছিল।
সদাপ্রভুর নিকটে এই সমস্ত প্রার্থনা ও বিনতি সাঙ্গ করিয়া শলোমন সদাপ্রভুর যজ্ঞবেদির সম্মুখে হাঁটু পাতন ও স্বর্গের দিকে অঞ্জলি বিস্তার করণ হইতে উঠিলেন।
আর তিনি যাজকদের প্রাঙ্গণ, বৃহৎ প্রাঙ্গণ ও প্রাঙ্গণের দ্বার সকল নির্ম্মাণ করিলেন, ও তাহার কবাটগুলি পিত্তলে মুড়িলেন।
পরে সন্ধ্যাকালীন বলিদানের সময়ে আমি মনোদুঃখ হইতে উঠিলাম, এবং ছিন্ন বস্ত্র ও পরিচ্ছদ না খুলিয়া হাঁটু পাতিয়া আমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর উদ্দেশে অঞ্জলি বিস্তার করিলাম;
এই কথা শুনিয়া আমি কিছু দিন বসিয়া রোদন ও শোক করিলাম, এবং স্বর্গের ঈশ্বরের সাক্ষাতে উপবাস ও প্রার্থনা করিলাম।
বস্তুতঃ অধ্যাপক ইষ্রা ঐ কার্য্যের জন্য নির্ম্মিত এক কাষ্ঠময় মঞ্চের উপরে দাঁড়াইলেন, এবং তাঁহার দক্ষিণ পার্শ্বে মত্তিথিয়, শেমা, অনায়, ঊরিয়, হিল্কিয় ও মাসেয়, এবং তাঁহার বাম পার্শ্বে পদায়, মীশায়েল, মল্কিয়, হশুম, হশবদ্দানা, সখরিয় ও মশুল্লম দাঁড়াইল।
আইস, আমরা প্রণিপাত করি, প্রণত হই, আমাদের নির্ম্মাতা সদাপ্রভুর সাক্ষাতে জানু পাতি।
পত্রখানি স্বাক্ষরিত হইয়াছে, ইহা দানিয়েল যখন জানিতে পাইলেন, তখন আপন গৃহে গেলেন; তাঁহার কুঠরীর বাতায়ন যিরূশালেমের দিকে খোলা ছিল; তিনি দিনের মধ্যে তিনবার জানু পাতিয়া আপন ঈশ্বরের সম্মুখে প্রার্থনা ও স্তবগান করিলেন, যেমন পূর্ব্বে করিতেন।
পরে তিনি তাঁহাদের হইতে কমবেশ এক ঢেলার পথ অন্তরে গেলেন, এবং জানু পাতিয়া প্রার্থনা করিতে লাগিলেন, বলিলেন,
এই কথা কহিয়া তিনি হাঁটু পাতিয়া সকলের সহিত প্রার্থনা করিলেন।
সেই কয়েকদিন যাপন করিলে পর আমরা বাহির হইয়া প্রস্থান করিলাম, তখন তাঁহারা সকলে স্ত্রী পুত্র লইয়া নগরের বাহির পর্য্যন্ত আমাদিগকে রাখিয়া যাইতে আসিলেন; তথায় সমুদ্রতীরে হাঁটু পাতিয়া আমরা প্রার্থনাপূর্ব্বক পরস্পর বিদায় গ্রহণ করিলাম;