এইরূপে রাজা লোকদের কথায় কর্ণপাত করিলেন না, কেননা শীলোনীয় অহিয়ের দ্বারা সদাপ্রভু নবাটের পুত্র যারবিয়ামকে যে কথা বলিয়াছিলেন, তাহা অটল রাখিবার জন্য ঈশ্বর হইতে এই ঘটনা হইল।
Cross references
কিন্তু হিষ্বোনের রাজা সীহোন তাঁহার নিকট দিয়া যাইবার অনুমতি আমাদিগকে দেন নাই, কেননা তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তাঁহার মন কঠিন করিলেন ও তাঁহার হৃদয় শক্ত করিলেন, যেন তোমার হস্তে তাঁহাকে সমর্পণ করেন, যেমন অদ্য পর্য্যন্ত রহিয়াছে।
কিন্তু তাঁহার পিতামাতা জানিতেন না যে, উহা সদাপ্রভু হইতে হইয়াছে, কারণ তিনি পলেষ্টীয়দের বিরুদ্ধে সুযোগ অন্বেষণ করিতেছিলেন। তৎকালে পলেষ্টীয়েরা ইস্রায়েলের উপরে কর্ত্তৃত্ব করিত।
মনুষ্য যদি মনুষ্যের বিরুদ্ধে পাপ করে, তবে ঈশ্বর তাহার বিচার করিবেন; কিন্তু মনুষ্য যদি সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে পাপ করে, তবে তাহার জন্য কে বিনতি করিবে? তথাপি তাহারা পিতার বাক্যে কর্ণপাত করিত না, কেননা তাহাদিগকে বধ করা সদাপ্রভুর অভিপ্রেত ছিল।
পরে অবশালোম ও ইস্রায়েলের সমস্ত লোক কহিল, অহীথোফলের মন্ত্রণা অপেক্ষা অর্কীয় হূশয়ের মন্ত্রণা ভাল। বস্তুতঃ সদাপ্রভু যেন অবশালোমের প্রতি অমঙ্গল ঘটান, তজ্জন্য অহীথোফলের ভাল মন্ত্রণা ব্যর্থ করণার্থে সদাপ্রভুই ইহা স্থির করিয়াছেন।
তৎকালে যারবিয়াম যিরূশালেমের বাহিরে গেলে শীলোনীয় অহিয় ভাববাদী পথে তাঁহার দেখা পাইলেন; অহিয় নূতন বস্ত্র পরিহিত ছিলেন, এবং মাঠে কেবল তাঁহারা দুই জন ছিলেন।
আর তিনি যারবিয়ামকে কহিলেন, দশ খণ্ড তুমি লও, কেননা ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি শলোমনের হস্ত হইতে রাজ্য চিরিয়া লইব, ও দশ বংশ তোমাকে দিব।
এইরূপে রাজা লোকদের কথায় কর্ণপাত করিলেন না, কেননা শীলোনীয় অহিয়ের দ্বারা সদাপ্রভু নবাটের পুত্র যারবিয়ামকে যে কথা বলিয়াছিলেন, তাহা অটল রাখিবার জন্য সদাপ্রভু হইতে এই ঘটনা হইল।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমরা যাত্রা করিও না, তোমাদের ভ্রাতৃগণের সহিত, ইস্রায়েল-সন্তানগণের সহিত যুদ্ধ করিও না; প্রত্যেক জন আপন আপন গৃহে ফিরিয়া যাও, কেননা এই ঘটনা আমা হইতে হইল। অতএব তাহারা সদাপ্রভুর বাক্য মানিয়া সদাপ্রভুর আজ্ঞানুসারে ফিরিয়া গেল।
পরে সদাপ্রভু কহিলেন, আহাব যেন যাত্রা করিয়া রামোৎ-গিলিয়দে পতিত হয়, এই জন্য কে তাহাকে মুগ্ধ করিবে? তাহাতে কেহ এক প্রকারে, কেহ বা অন্য প্রকারে কহিল।
শলোমনের অবশিষ্ট বৃত্তান্ত আদ্যোপান্ত নাথন ভাববাদীর পুস্তকে ও শীলোনীয় অহীয়ের ভাববাণীতে এবং নবাটের পুত্র যারবিয়ামের বিষয়ে ইদ্দো দর্শকের যে দর্শন, তাহার মধ্যে কি লিখিত নাই?
কিন্তু যোরামের নিকটে আসাতে ঈশ্বর হইতে অহসিয়ের নিপাত ঘটিল; কেননা তিনি যখন আসিলেন, তখন যিহোরামের সহিত নিম্শির পুত্র সেই যেহূর বিরুদ্ধে বাহির হইলেন, যাঁহাকে ঈশ্বর আহাব-কুলের উচ্ছেদ করিবার জন্য অভিষেক করিয়াছিলেন।
তিনি এই কথা কহিলে রাজা তাঁহাকে কহিলেন, আমরা কি তোমাকে রাজমন্ত্রিপদে নিযুক্ত করিয়াছি? ক্ষান্ত হও, কেন মার খাইবে? তখন সেই ভাববাদী ক্ষান্ত হইলেন, তথাপি কহিলেন, আমি জানি, ঈশ্বর আপনাকে বিনষ্ট করিবার সঙ্কল্প করিয়াছেন, কেননা আপনি এই কার্য্য করিয়াছেন, আর আমার পরামর্শে কাণ দেন নাই।
কিন্তু অমৎসিয় কথা শুনিলেন না, কারণ লোকেরা ইদোমীয় দেবগণের অন্বেষণ করিয়াছিল বলিয়া তাহারা যেন শত্রুহস্তগত হয়, তজ্জন্য ঈশ্বর হইতে এই ঘটনা হইল।
সদাপ্রভু মিসরের অন্তরে কুটিলতার আত্মা মিশাইয়া দিয়াছেন; মত্ত ব্যক্তি যেমন আপন বমিতে ভ্রান্ত হইয়া পড়ে, তদ্রূপ উহারা মিসরকে তাহার সমস্ত কর্ম্মে ভ্রান্ত করিয়াছে।
অতএব ইস্রায়েলের পবিত্রতম এই কথা কহেন, তোমরা এই বাক্য হেয়জ্ঞান করিয়াছ, এবং উপদ্রবের ও কুটিলতার উপরে নির্ভর দিয়াছ, ও তাহা অবলম্বন করিয়াছ;
কিন্তু যদিও তিনি তাহাদের সাক্ষাতে এত চিহ্ন-কার্য্য করিয়াছিলেন, তথাপি তাহারা তাঁহাকে বিশ্বাস করিল না;
অতএব তাহারা পরস্পর বলিল, ইহা চিরিব না, আইস, আমরা গুলিবাঁট করিয়া দেখি, ইহা কাহার হইবে; যেন শাস্ত্রের এই বচন পূর্ণ হয়, “তাহারা আপনাদের মধ্যে আমার বস্ত্র সকল বিভাগ করিল, আর আমার পরিচ্ছদের জন্য গুলিবাঁট করিল।” বাস্তবিক সেনারা তাহাই করিল।
অতএব সেনারা আসিয়া ঐ প্রথম ব্যক্তির, এবং তাহার সহিত ক্রুশে বিদ্ধ অন্য ব্যক্তির পা ভাঙ্গিল;
সেই ব্যক্তি ঈশ্বরের নিরূপিত মন্ত্রণা ও পূর্ব্বজ্ঞান অনুসারে সমর্পিত হইলে তোমরা তাঁহাকে অধর্ম্মীদের হস্ত দ্বারা ক্রুশে দিয়া বধ করিয়াছিলে।
যেন তোমার হস্ত ও তোমার মন্ত্রণা দ্বারা পূর্ব্বাবধি যে সকল বিষয় নিরূপিত হইয়াছিল, তাহা সম্পন্ন করে।