তবে সে গর্ব্বান্ধ, কিছুই জানে না, কিন্তু বিতণ্ডা ও বাগ্যুদ্ধের বিষয়ে রোগগ্রস্ত হইয়াছে; এ সকলের ফল মাৎসর্য্য, বিরোধ,
Cross references
কেহ আপনাকে ধনবান দেখায়, কিন্তু তাহার কিছুই নাই; কেহ বা আপনাকে দরিদ্র দেখায়, কিন্তু তাহার মহাধন আছে।
যে দান বিষয়ে মিথ্যা দর্পকথা কহে, সে বৃষ্টিহীন মেঘ ও বায়ুর তুল্য।
তুমি কি নিজের দৃষ্টিতে জ্ঞানবান লোক দেখিতেছ? তাহা অপেক্ষা, বরং হীনবুদ্ধির বিষয়ে অধিক প্রত্যাশা আছে।
দেখ, তোমরা বিবাদ ও কলহের জন্য, এবং দুষ্টতার মুষ্টি দ্বারা আঘাত করিবার জন্য উপবাস করিয়া থাক; অদ্যকার ন্যায় উপবাস করিলে তোমরা ঊর্দ্ধলোকে আপনাদের রব শুনাইতে পারিবে না।
কিন্তু শিমোন নামে এক ব্যক্তি ছিল, সে পূর্ব্বাবধি সেই নগরে যাদুক্রিয়া করিত ও শমরীয় জাতিকে চমৎকৃত করিত, আপনাকে এক জন মহাপুরুষ বলিত;
এই বিষয়ে তোমার অংশ কি অধিকার কিছুই নাই; কারণ তোমার হৃদয় ঈশ্বরের সাক্ষাতে সরল নয়।
আর তাহাদের সহিত পৌলের ও বার্ণবার অনেক বাগ্যুদ্ধ ও বাদানুবাদ হইলে পর ভ্রাতৃগণ স্থির করিলেন, সেই তর্কের মীমাংসার জন্য পৌল ও বার্ণবা, এবং তাঁহাদের আরও কয়েক জন, যিরূশালেমে প্রেরিতগণের ও প্রাচীনবর্গের নিকটে যাইবেন।
কিন্তু বাক্য বা নাম বা তোমাদের ব্যবস্থা সম্বন্ধীয় প্রশ্ন যদি হয়, তবে তোমরা আপনারাই তাহা বুঝিবে, আমি সেই প্রকার বিষয়ের বিচারকর্ত্তা হইতে চাহি না।
কিন্তু যাহারা প্রতিযোগী, এবং সত্যের অবাধ্য ও অধার্ম্মিকতার বাধ্য, তাহাদের প্রতি ক্রোধ ও রোষ, ক্লেশ ও সঙ্কট বর্ত্তিবে;
তোমরা পরস্পরের প্রতি একমনা হও, উচ্চ উচ্চ বিষয় ভাবিও না, কিন্তু অবনত বিষয় সকলের সহিত আকর্ষিত হও। আপনাদের জ্ঞানে বুদ্ধিমান্ হইও না।
আইস, রঙ্গরসে ও মত্ততায় নয়, লম্পটতায় ও স্বেচ্ছাচারিতায় নয়, বিবাদে ও ঈর্ষায় নয়, কিন্তু দিবসের উপযুক্ত শিষ্ট ভাবে চলি।
বিশ্বাসে যে দুর্ব্বল, তাহাকে গ্রহণ কর, কিন্তু তর্কবিতর্ক সম্বন্ধীয় বিষয়ের বিচারার্থে নয়।
কারণ এখনও তোমরা মাংসিক রহিয়াছ; বাস্তবিক যখন তোমাদের মধ্যে ঈর্ষা ও বিবাদ রহিয়াছে, তখন তোমরা কি মাংসিক নও, এবং মানুষের রীতিক্রমে কি চলিতেছ না?
কেহ আপনাকে বঞ্চনা না করুক। তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যদি আপনাকে এই যুগে জ্ঞানবান্ বলিয়া মনে করে, তবে সে জ্ঞানবান্ হইবার জন্য মূর্খ হউক।
আর প্রতিমার কাছে উৎসৃষ্ট বলির বিষয়;—আমরা জানি যে, আমাদের সকলের জ্ঞান আছে। জ্ঞান গর্ব্বিত করে, কিন্তু প্রেমই গাঁথিয়া তুলে।
কিন্তু কেহ যদি বিবাদী হওয়া বিহিত বোধ করে, তবে এই প্রকার ব্যবহার আমাদের নাই, এবং ঈশ্বরের মণ্ডলীগণেরও নাই।
কারণ প্রথমতঃ, শুনিতে পাইতেছি, যখন তোমরা মণ্ডলীতে সমবেত হও, তখন তোমাদের মধ্যে দলাদলি হইয়া থাকে, এবং ইহা কতকটা বিশ্বাস করিতেছি।
কারণ কেহ যদি তোমাদিগকে দাস করে, যদি তোমাদিগকে খাইয়া ফেলে, যদি তোমাদিগকে ধরিয়া লয়, যদি দর্প করে, যদি তোমাদের গালে চড় মারে, তবে তোমরা সহিষ্ণুতা করিয়া থাক।
কিন্তু তোমরা যদি পরস্পর দংশাদংশি ও গেলাগেলি কর, তবে দেখিও, যেন পরস্পরের দ্বারা কবলিত না হও।
অশুচিতা, স্বৈরিতা, প্রতিমাপূজা, কুহক, নানা প্রকার শত্রুতা, বিবাদ, ঈর্ষা, রাগ, প্রতিযোগিতা, বিচ্ছিন্নতা,
অনর্থক দর্প না করি, পরস্পরকে জ্বালাতন না করি, পরস্পর হিংসাহিংসি না করি।
কেননা যদি কেহ মনে করে, আমি কিছু, কিন্তু বাস্তবিক সে কিছুই নয়, তবে সে আপনি আপনাকে ভুলায়।
সত্য, কেহ কেহ, এমন কি, মাৎসর্য্য ও বিবাদেচ্ছা প্রযুক্ত, আর কেহ কেহ সুবাসনা প্রযুক্ত খ্রীষ্টকে প্রচার করিতেছে।
প্রতিযোগিতার কিম্বা অনর্থক দর্পের বশে কিছুই করিও না, বরং নম্রভাবে প্রত্যেক জন আপনা হইতে অন্যকে শ্রেষ্ঠ জ্ঞান কর;
তোমরা বচসা ও তর্কবিতর্ক বিনা সমস্ত কার্য্য কর,
নম্রতায় ও দূতগণের পূজায় স্বেচ্ছাচারী কোন ব্যক্তি তোমাদিগকে বিজয়মুকুটে বঞ্চিত না করুক; সে যাহা যাহা দেখিয়াছে, সেই গুলিতেই বিচরণ করে, আপন মাংসময় মনের গর্ব্বে বৃথা গর্ব্বিত হয়,
যে প্রতিরোধী হইবে ও ‘ঈশ্বর’ নামে আখ্যাত বা পূজ্য সকলের হইতে আপনাকে বড় করিবে, এমন কি, ঈশ্বরের মন্দিরে বসিয়া আপনাকে ঈশ্বর বলিয়া দেখাইবে।
এবং গল্প ও অসীম বংশাবলিতে মনোযোগ না করে, [তেমনি এখন করিতেছি]; কেননা সে সকল বরং বিতণ্ডা উপস্থিত করে, ঈশ্বরের যে ধনাধ্যক্ষের কার্য্য বিশ্বাস সম্বন্ধীয়, তাহা উপস্থিত করে না।
তাহারা ব্যবস্থার শিক্ষক হইতে চায়, অথচ যাহা বলে, ও যাহার বিষয়ে দৃঢ় নিশ্চয় ভাবে কথা কহে, তাহা বুঝে না।
তিনি নূতন শিষ্য না হউন পাছে গর্ব্বান্ধ হইয়া দিয়াবলের বিচারে পতিত হন।
এই সকল কথা স্মরণ করাইয়া দেও, প্রভুর সাক্ষাতে দৃঢ় প্রমাণ দেও, যেন লোকেরা বাগ্যুদ্ধ না করে, কেননা তাহাতে কোন ফল দর্শে না, যাহারা শুনে, তাহাদের নিপাত হয়।
কিন্তু মূঢ় ও অজ্ঞান বিতণ্ডা সকল অস্বীকার কর; তুমি জান, এ সকল যুদ্ধ উৎপন্ন করে।
প্রচণ্ড, সদ্বিদ্বেষী, বিশ্বাসঘাতক, দুঃসাহসী, গর্ব্বান্ধ, ঈশ্বরপ্রিয় নয়, বরং বিলাসপ্রিয় হইবে;
কিন্তু তুমি মূঢ়তার সকল বিতণ্ডা, বংশাবলি, বিবাদ এবং ব্যবস্থাবিষয়ক বাগ্যুদ্ধ হইতে দূরে থাক; কেননা এ সকল নিষ্ফল ও অসার।
হে আমার প্রিয় ভ্রাতৃগণ, তোমরা ইহা জ্ঞাত আছ। কিন্তু তোমাদের প্রত্যেক জন শ্রবণে সত্বর, কথনে ধীর,
হে আমার ভ্রাতৃগণ, যদি কেহ বলে, আমার বিশ্বাস আছে, আর তাহার কর্ম্ম না থাকে, তবে তাহার কি ফল দর্শিবে? সেই বিশ্বাস কি তাহার পরিত্রাণ করিতে পারে?
তোমাদের মধ্যে কোথা হইতে যুদ্ধ ও কোথা হইতে বিবাদ উৎপন্ন হয়? তোমাদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গে যে সকল সুখাভিলাষ যুদ্ধ করে, সে সকল হইতে কি নয়?
অথবা তোমরা কি মনে কর যে, শাস্ত্রের বচন ফলহীন? যে আত্মা তিনি আমাদের অন্তরে বাস করাইয়াছেন, সেই আত্মা কি মাৎসর্য্যের নিমিত্ত স্নেহ করেন?
অতএব তোমরা সমস্ত দুষ্টতা ও সমস্ত ছল এবং কপটতা ও মাৎসর্য্য ও সমস্ত পরীবাদ ত্যাগ করিয়া
কিন্তু ইহারা, ধৃত হইবার ও ক্ষয় পাইবার নিমিত্ত জাত বুদ্ধিবিহীন প্রাণীমাত্র পশুদের ন্যায়, যাহা না বুঝে, তাহার নিন্দা করিতে করিতে আপনাদের ক্ষয়ে ক্ষয় পাইবে, অন্যায়ের বেতনস্বরূপে অন্যায় ভোগ করিবে।