তোমার অন্তরস্থ সেই অনুগ্রহ-দান অবহেলা করিও না, যাহা ভাববাণী দ্বারা প্রাচীনবর্গের হস্তার্পণ সহকারে তোমাকে দত্ত হইয়াছে।
Cross references
কারণ মনে কর, যেন কোন ব্যক্তি বিদেশে যাইতেছেন, তিনি আপন দাসদিগকে ডাকিয়া নিজ সম্পত্তি তাহাদের হস্তে সমর্পণ করিলেন।
অতএব তিনি কহিলেন, ভদ্রবংশীয় এক ব্যক্তি দূরদেশে গেলেন, অভিপ্রায় এই যে, আপনার জন্য রাজপদ লইয়া ফিরিয়া আসিবেন।
তাহারা ইহাঁদিগকে প্রেরিতগণের সম্মুখে উপস্থিত করিল, এবং তাঁহারা প্রার্থনা করিয়া ইহাঁদের উপরে হস্তার্পণ করিলেন।
তখন তাঁহারা তাহাদের উপরে হস্তার্পণ করিলেন, আর তাহারা পবিত্র আত্মা পাইল।
তখন তাঁহারা উপবাস ও প্রার্থনা এবং তাঁহাদের উপরে হস্তার্পণ করিয়া তাঁহাদিগকে বিদায় দিলেন।
আর পৌল তাহাদের উপরে হস্তার্পণ করিলে পবিত্র আত্মা তাহাদের উপরে আসিলেন, তাহাতে তাহারা নানা ভাষায় কথা কহিতে এবং ভাববাণী বলিতে লাগিল।
আর আমাদিগকে যে অনুগ্রহ দত্ত হইয়াছে, তদনুসারে যখন আমরা বিশেষ বিশেষ বর প্রাপ্ত হইয়াছি, তখন সেই বর যদি ভাববাণী হয়, তবে আইস, বিশ্বাসের পরিমাণ অনুসারে ভাববাণী বলি;
আত্মাকে নির্ব্বাণ করিও না।
বৎস তীমথিয়, তোমার বিষয়ে পূর্ব্বকার সকল ভাববাণী অনুসারে আমি তোমার নিকটে এই আদেশ সমর্পণ করিলাম, যেন তুমি সেই সকলের গুণে উত্তম যুদ্ধ করিতে পার,
কাহারও উপরে হস্তার্পণ করিতে সত্বর হইও না, এবং পরপাপের ভাগী হইও না; আপনাকে শুদ্ধ করিয়া রক্ষা কর।
এই কারণ তোমাকে স্মরণ করাইয়া দিতেছি যে, আমার হস্তার্পণ দ্বারা ঈশ্বরের যে অনুগ্রহ-দান তোমাতে আছে, তাহা উদ্দীপিত কর।
বিনা বচসাতে পরস্পর অতিথি সেবা কর।