তিনি নিন্দিত হইলে প্রতিনিন্দা করিতেন না; দুঃখভোগ কালে তর্জ্জন করিতেন না, কিন্তু যিনি ন্যায় অনুসারে বিচার করেন, তাঁহার উপর ভার রাখিতেন।
Cross references
দুষ্টের সহিত ধার্ম্মিকের বিনাশ করা, এই প্রকার কর্ম্ম আপনা হইতে দূরে থাকুক; ধার্ম্মিককে দুষ্টের সমান করা আপনা হইতে দূরে থাকুক। সমস্ত পৃথিবীর বিচারকর্ত্তা কি ন্যায়বিচার করিবেন না?
ঈশ্বর ধর্ম্মময় বিচারকর্ত্তা; তিনি প্রতিদিন ক্রোধকারী ঈশ্বর।
তুমি দেখিয়াছ, কেননা তুমি উপদ্রব ও দ্বেষের প্রতি দৃষ্টিপাত করিতেছ, যেন তাহার প্রতীকার স্বহস্তে কর; অনাথ তোমারই উপরে ভার সমর্পণ করে; তুমিই পিতৃহীনের সহায়।
আমি তোমার হস্তে আমার আত্মা সমর্পণ করি; সদাপ্রভু, সত্যের ঈশ্বর, তুমি আমাকে মুক্ত করিয়াছ।
তোমার গতি সদাপ্রভুতে অর্পণ কর, তাঁহাতে নির্ভর কর, তিনিই কার্য্য সাধন করিবেন।
যাহারা আমার প্রাণের অন্বেষণ করে, তাহারা ফাঁদ পাতে; যাহারা আমার অনিষ্ট চেষ্টা করে, তাহারা বিনাশের কথা কহে, আর সমস্ত দিন ছলের চিন্তা করে।
সদাপ্রভুর সাক্ষাতেই করিবে, কেননা তিনি আসিতেছেন, তিনি পৃথিবীর বিচার করিতে আসিতেছেন; তিনি ধর্ম্মশীলতায় জগতের বিচার করিবেন, আপন বিশ্বস্ততায় জাতিগণের বিচার করিবেন।
তিনি উপদ্রুত হইলেন, তবু দুঃখভোগ স্বীকার করিলেন, তিনি মুখ খুলিলেন না; মেষশাবক যেমন হত হইবার জন্য নীত হয়, মেষী যেমন লোমচ্ছেদকদের সম্মুখে নীরব হয়, সেইরূপ তিনি মুখ খুলিলেন না।
তখন যে সকল লোক সেই পথ দিয়া যাতায়াত করিতেছিল, তাহারা মাথা নাড়িতে নাড়িতে তাঁহার নিন্দা করিয়া কহিল,
তখন মহাযাজক মধ্যস্থানে দাঁড়াইয়া যীশুকে জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি কি কিছুই উত্তর দিবে না? তোমার বিরুদ্ধে ইহারা কি সাক্ষ্য দিতেছে? কিন্তু তিনি নীরব রহিলেন,
ওহে, তুমি না মন্দির ভাঙ্গিয়া ফেল, আর তিন দিনের মধ্যে গাঁথিয়া তুল!
আর তাঁহার চক্ষু ঢাকিয়া জিজ্ঞাসা করিল, ভাববাণী বল্ দেখি, কে তোকে মারিল?