আর দায়ূদ যিরূশালেমে আরও কতকগুলি স্ত্রী গ্রহণ করিলেন; এবং দায়ূদ আরও পুত্রকন্যার জন্ম দিলেন।
Cross references
আর সে অনেক স্ত্রী গ্রহণ করিবে না, পাছে তাহার হৃদয় বিপথগামী হয়; এবং সে আপনার জন্য রৌপ্য কিম্বা স্বর্ণ অতিশয় বৃদ্ধি করিবে না।
আর দায়ূদ হিব্রোণ হইতে আসিলে পর যিরূশালেমে আরও উপপত্নী ও ভার্য্যা গ্রহণ করিলেন, তাহাতে দায়ূদের আরও পুত্র কন্যা জন্মিল।
সাত শত রমণী তাঁহার পত্নী, ও তিশ শত তাঁহার উপপত্নী ছিল; তাঁহার সেই স্ত্রীরা তাঁহার হৃদয়কে বিপথগামী করিল।
দায়ূদের এই সকল পুত্র হিব্রোণে জন্মিল, জ্যেষ্ঠ পুত্র অম্নোন, সে যিষ্রিয়েলীয়া অহীনোয়মের গর্ভজাত; দ্বিতীয় দানিয়েল, সে কর্মিলীয়া অবীগলের গর্ভজাত;
তোমার উনুই ধন্য হউক, তুমি আপন যৌবনের ভার্য্যায় আমোদ কর।
তাহাতে মৃত্যু অপেক্ষাও তীব্র পদার্থ পাইলাম, অর্থাৎ সেই স্ত্রীলোক, যাহার অন্তঃকরণ ফাঁদ ও জাল, ও হস্ত শৃঙ্খলস্বরূপ; যে ব্যক্তি ঈশ্বরের প্রীতিজনক, সে তাহা হইতে রক্ষা পাইবে, কিন্তু পাপী তাহার দ্বারা ধৃত হইবে।
সূর্য্যের নীচে ঈশ্বর তোমাকে অসার জীবনের যত দিন দিয়াছেন, তোমার সেই সমস্ত অসার দিন থাকিতে তুমি আপন প্রিয়া ভার্য্যার সহিত সুখে জীবন যাপন কর, কেননা জীবনের মধ্যে, এবং তুমি সূর্য্যের নীচে যে পরিশ্রমে পরিশ্রান্ত হইতেছ, তাহার মধ্যে ইহাই তোমার অধিকার।
তথাপি তোমরা বলিতেছ, ইহার কারণ কি? কারণ এই, সদাপ্রভু তোমার যৌবনকালীন স্ত্রীর ও তোমার মধ্যে সাক্ষী হইয়াছেন; ফলতঃ তুমি তাহার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করিয়াছ; কিন্তু সে তোমার সখী ও তোমার নিয়মের স্ত্রী।
তিনি উত্তর করিলেন, তোমরা কি পাঠ কর নাই যে, সৃষ্টিকর্ত্তা আদিতে পুরুষ ও স্ত্রী করিয়া তাহাদিগকে নির্ম্মাণ করিয়াছিলেন, আর বলিয়াছিলেন,
তিনি তাহাদিগকে কহিলেন তোমাদের অন্তঃকরণ কঠিন বলিয়া মোশি তোমাদিগকে আপন আপন স্ত্রীকে পরিত্যাগ করিবার অনুমতি দিয়াছিলেন, কিন্তু আদি হইতে এরূপ হয় নাই।