আর তিনি পাঁচ হস্ত দীর্ঘ বৃহৎকায় এক মিস্রীয়কে বধ করিলেন; ঐ মিস্রীয়ের হস্তে তন্তুবায়ের নরাজের ন্যায় এক বড়শা ছিল, ইনি আর এক দণ্ড হস্তে করিয়া তাঁহার কাছে গিয়া সেই মিস্রীয়ের হস্ত হইতে বড়শাটী কাড়িয়া লইয়া তাহারই বড়শা দ্বারা তাহাকে বধ করিলেন।
Cross references
(ফলতঃ অবশিষ্ট রফায়ীয়দের মধ্যে কেবল বাশনের রাজা ওগ মাত্র অবশিষ্ট ছিলেন; দেখ, তাঁহার খট্টা লৌহময়; তাহা কি অম্মোন-সন্তানগণের রব্বা নগরে নাই? মনুষ্যের হস্তের পরিমাণানুসারে তাহা দীর্ঘে নয় হস্ত ও প্রস্থে চারি হস্ত।)
পরে গাৎ-নিবাসী এক বীর পলেষ্টীয়দের শিবির হইতে বাহির হইল, তাহার নাম গলিয়াৎ, সে সাড়ে ছয় হস্ত দীর্ঘ।
তাহার বড়শার দণ্ড তন্তুবায়ের নরাজের সমান, ও বড়শার ফলা ছয় শত শেকল লৌহময় ছিল, এবং তাহার ঢালী তাহার অগ্রে অগ্রে চলিত।
তাই দায়ূদ দৌড়িয়া ঐ পলেষ্টীয়ের পার্শ্বে দাঁড়াইয়া তাহারই খড়্গ লইয়া খাপ খুলিয়া তাহাকে বধ করিলেন, এবং তদ্দ্বারা তাহার মাথা কাটিয়া ফেলিলেন। পলেষ্টীয়েরা যখন দেখিতে পাইল, তাহাদের বীর মরিয়া গিয়াছে, তখন তাহারা পলায়ন করিল।
আবার পলেষ্টীয়দের সহিত যুদ্ধ হইল, আর যায়ীরের পুত্র ইল্হানন গাতীয় গলিয়াতের ভ্রাতা লহমিকে বধ করিল, ইহার বড়শা তাঁতের নরাজের ন্যায় ছিল।